The process of searching through larges datasets to identify patterns and relationships is called:
The process of searching through larges datasets to identify patterns and relationships is called:
-
ক
Data Entry
-
খ
Data Mining
-
গ
Data Scrubbing
-
ঘ
Data Buffering
Data Mining হলো বড় ডেটাসেট বিশ্লেষণ করে লুকানো প্যাটার্ন, সম্পর্ক ও প্রবণতা খুঁজে বের করার প্রক্রিয়া। এটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ, পূর্বাভাস ও ব্যবসায়িক বিশ্লেষণে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
ডেটা সিকিউরিটি (Data Security) হলো একটি প্রযুক্তিগত এবং ব্যবস্থাপনাগত প্রক্রিয়া, যা ডেটা বা তথ্যকে অননুমোদিত প্রবেশ, পরিবর্তন, ধ্বংস, বা চুরি থেকে রক্ষা করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি তথ্য সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ, এবং পরিবহন করার সময় তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। ডেটা সিকিউরিটি কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, এবং সফটওয়্যারের মাধ্যমে ডেটা সুরক্ষিত রাখতে সহায়ক।
ডেটা সিকিউরিটির প্রধান উপাদান:
১. কনফিডেনশিয়ালিটি (Confidentiality):
- ডেটা কনফিডেনশিয়ালিটি নিশ্চিত করার মাধ্যমে সংবেদনশীল তথ্য কেবলমাত্র অনুমোদিত ব্যক্তিদের কাছে প্রদর্শিত হয়। এটি প্রয়োজনীয় এক্সেস নিয়ন্ত্রণ এবং এনক্রিপশন ব্যবহার করে অর্জন করা হয়।
- উদাহরণ: পাসওয়ার্ড, এনক্রিপ্টেড ডেটা, এবং ইউজার এক্সেস কন্ট্রোল।
২. ইন্টেগ্রিটি (Integrity):
- ডেটা ইন্টেগ্রিটি ডেটার সঠিকতা এবং নির্ভুলতা নিশ্চিত করে। এটি অননুমোদিত পরিবর্তন বা ডেটার ধ্বংস রোধ করে এবং নিশ্চিত করে যে ডেটা সঠিকভাবে সংরক্ষিত ও ব্যবহৃত হচ্ছে।
- উদাহরণ: চেকসাম, হ্যাশিং এলগোরিদম, এবং ডেটা ভেরিফিকেশন।
৩. এভেইলেবিলিটি (Availability):
- ডেটা এভেইলেবিলিটি নিশ্চিত করে যে প্রয়োজনীয় ডেটা অনুমোদিত ব্যবহারকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় সময়ে উপলব্ধ থাকবে। এটি নেটওয়ার্ক ইনফ্রাস্ট্রাকচার, ব্যাকআপ, এবং দুর্যোগ পুনরুদ্ধার পরিকল্পনার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়।
- উদাহরণ: সার্ভার আপটাইম, ব্যাকআপ সিস্টেম, এবং ডেটা রিডান্ডেন্সি।
ডেটা সিকিউরিটির গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি:
১. এনক্রিপশন (Encryption):
- এনক্রিপশন হলো একটি পদ্ধতি, যা ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে এবং একটি কোডে রূপান্তরিত করে, যা শুধুমাত্র অনুমোদিত ব্যক্তি বা সিস্টেমই ডিক্রিপ্ট করতে পারে। এটি ডেটা ট্রান্সমিশন এবং সংরক্ষণের সময় ডেটাকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে।
- উদাহরণ: AES (Advanced Encryption Standard), RSA (Rivest-Shamir-Adleman)।
২. এক্সেস কন্ট্রোল (Access Control):
- এক্সেস কন্ট্রোল এমন একটি ব্যবস্থা, যা ডেটার এক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে এবং শুধুমাত্র অনুমোদিত ব্যক্তিদের এক্সেস দেয়। এতে ইউজার অথেনটিকেশন, পাসওয়ার্ড, বায়োমেট্রিক্স ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
- উদাহরণ: রোল-বেইসড এক্সেস কন্ট্রোল (RBAC), মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (MFA)।
৩. ডেটা মাস্কিং (Data Masking):
- ডেটা মাস্কিং সংবেদনশীল ডেটাকে মাস্ক বা আড়াল করে এবং একটি সাধারণ বা বিকল্প ফরম্যাটে উপস্থাপন করে, যা ডেটার প্রকৃত মান প্রকাশ না করে। এটি ডেটা চুরি বা ক্ষতির ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।
- উদাহরণ: ক্রেডিট কার্ডের শেষ ৪টি ডিজিট প্রদর্শন।
৪. ব্যাকআপ এবং রিকভারি:
- ব্যাকআপ এবং রিকভারি পদ্ধতি ডেটা লস বা সিস্টেম ব্যর্থতার সময় ডেটা পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করে। এটি নিয়মিত ব্যাকআপ তৈরি করে এবং ডেটার এভেইলেবিলিটি নিশ্চিত করে।
- উদাহরণ: ক্লাউড ব্যাকআপ, অফসাইট স্টোরেজ, এবং RAID সিস্টেম।
ডেটা সিকিউরিটির চ্যালেঞ্জ:
১. সাইবার আক্রমণ (Cyber Attacks):
- হ্যাকার বা ম্যালওয়্যার দ্বারা ডেটার উপর আক্রমণ, যেমন ডেটা চুরি, ফিশিং, র্যানসমওয়্যার আক্রমণ ইত্যাদি।
২. ভুল কনফিগারেশন এবং অভ্যন্তরীণ হুমকি:
- নেটওয়ার্ক বা সিস্টেমের ভুল কনফিগারেশন ডেটা লিক বা এক্সেসের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এছাড়া, অভ্যন্তরীণ ব্যবহারকারীর দ্বারা তথ্য চুরি বা অননুমোদিত এক্সেস।
৩. ডেটা লস বা দুর্যোগ:
- হার্ডওয়্যার ব্যর্থতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অগ্নিকাণ্ডের কারণে ডেটা লসের ঝুঁকি রয়েছে। এর বিরুদ্ধে প্রস্তুতি না থাকলে বড় ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।
ডেটা সিকিউরিটির সেরা অনুশীলন:
১. নিয়মিত আপডেট এবং প্যাচিং:
- সিস্টেম এবং সফটওয়্যার নিয়মিত আপডেট করা এবং সিকিউরিটি প্যাচ প্রয়োগ করা, যা সিস্টেমকে নিরাপদ রাখে।
২. মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (MFA):
- ইউজার অথেনটিকেশন শক্তিশালী করার জন্য মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ব্যবহার করা, যা পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি অতিরিক্ত একটি অথেনটিকেশন ফ্যাক্টর (যেমন, ওটিপি বা বায়োমেট্রিক্স) প্রয়োজন।
৩. ডেটা এনক্রিপশন এবং মাস্কিং:
- সংবেদনশীল ডেটা এনক্রিপশন এবং ডেটা মাস্কিং ব্যবহার করে সুরক্ষিত করা, যাতে ডেটা অননুমোদিত এক্সেস থেকে সুরক্ষিত থাকে।
৪. ব্যাকআপ এবং রিকভারি পরিকল্পনা:
- নিয়মিত ডেটার ব্যাকআপ তৈরি করা এবং একটি দুর্যোগ পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা রাখা, যাতে ডেটা লসের ক্ষেত্রে দ্রুত ডেটা পুনরুদ্ধার করা যায়।
সারসংক্ষেপ:
ডেটা সিকিউরিটি হলো একটি সমন্বিত পদ্ধতি, যা ডেটা সুরক্ষিত রাখতে এবং অননুমোদিত প্রবেশ, চুরি, বা ক্ষতি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এটি বিভিন্ন টেকনিক এবং টুল ব্যবহার করে ডেটা সুরক্ষিত রাখা এবং ডেটা লসের ঝুঁকি কমানোর জন্য প্রয়োজনীয়। ডেটা সিকিউরিটি প্রোটোকল এবং পদ্ধতির মাধ্যমে সংবেদনশীল তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় এবং সাইবার হুমকির বিরুদ্ধে সুরক্ষিত থাকা যায়।
Related Question
View Allডিজিটাল নথি নম্বরের পঞ্চম স্থানে সন্নিবেশিত হবে-
-
ক
জিও কোড
-
খ
শাঁখা কোড
-
গ
অধস্তন প্রতিষ্ঠান কোড
-
ঘ
বিষয়ভিত্তিক শ্রেণিবিন্যাস কোড
-
ক
'E' কলাম এর ১০ নম্বর রো-কে অবস্থাকালীন সেল
-
খ
'E' রো এর ১০ নম্বর কলাম এ অবস্থানকালীন সেল
-
গ
'E' কলাম এর ১০ এর নম্বর সেল
-
ঘ
'E' রো-এর ১০ নম্বর কলাম
-
ক
Data integrity
-
খ
Data security
-
গ
Data constraint
-
ঘ
Data independence
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন